বেটিং অ্যাপ ও APK: ইনস্টলের আগে যা জানা দরকার
সংক্ষেপে উত্তর: বাংলাদেশে রিয়েল-মানি betting app সাধারণত গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যায় না, তাই ইনস্টল করতে হয় APK ফাইল দিয়ে — আর এই একটি ধাপেই ঝুঁকির প্রায় পুরোটা জমা হয়। এই পাতায় কোনো ডাউনলোড লিংক নেই, কোনো APK ফাইল নেই এবং কোনো মিরর তালিকাও নেই। এখানে যা আছে তা হলো প্রযুক্তিগত ব্যাখ্যা: APK জিনিসটা কী, সাইডলোড করলে ফোনের নিরাপত্তায় ঠিক কী বদলায়, নকল বিল্ড কীভাবে চেনা যায়, iOS-এ বাস্তবে কী হয়, ডেটা ও ব্যাটারির খরচ কেমন, আর অ্যাপ আটকে গেলে পাঠক নিজে কী কী দেখতে পারেন। এই সাইট একটি স্বাধীন বাংলা গাইড — এটি কোনো অপারেটর নয়, কোনো অ্যাপ প্রকাশ করে না, কারও জমা নেয় না এবং কোনো গেম চালায় না। ১৮ বছরের কম বয়সীদের জন্য নয়।
এই পাতায় যা আছে
পাতাটি লম্বা, তাই শুরুতেই বিষয়সূচি। যে অংশটি দরকার সেখান থেকেই পড়া যায়।
- APK আসলে কী — ফাইলটির প্রকৃত পরিচয়
- রিয়েল-মানি betting app কেন প্লে স্টোরে নেই
- সাইডলোড করলে ফোনে ঠিক কী বদলায়
- নকল বিল্ড: প্রতারণা যেখানে সবচেয়ে বেশি ঘটে
- ইনস্টলের আগে ধাপে ধাপে যাচাই
- পারমিশন: কোনটি যুক্তিসঙ্গত, কোনটি নয়
- অটো-আপডেট না থাকার অর্থ
- Android বনাম iOS: বাস্তব চিত্র
- ডিভাইস, RAM, স্টোরেজ ও অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণ
- মোবাইল ডেটা, ব্যাটারি ও নোটিফিকেশনের খরচ
- অ্যাপ কাজ করছে না — কী দেখবেন
- আইন, বয়স এবং এই পাতার অবস্থান
APK আসলে কী
APK হলো অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপের ইনস্টলার ফাইল — একটি প্যাকেজ, যার ভেতরে অ্যাপের কোড, ছবি ও অনুমতির তালিকা একসঙ্গে বাঁধা থাকে। প্লে স্টোর থেকে যখন কোনো অ্যাপ ইনস্টল হয়, তখনও ভেতরে এই একই ধরনের প্যাকেজই বসে; পার্থক্য শুধু কে ফাইলটি দিল এবং তার আগে কী যাচাই হলো।
প্রতিটি APK একটি ডিজিটাল স্বাক্ষরে সই করা থাকে। ফোন সেই স্বাক্ষর দেখে বোঝে আপডেটটি একই প্রকাশকের কি না। কিন্তু ফোন এটা বলতে পারে না যে প্রকাশকটি সৎ — সে শুধু দেখে দুটি ফাইলের স্বাক্ষর মেলে কি না। অর্থাৎ স্বাক্ষর ধারাবাহিকতার প্রমাণ, বিশ্বাসযোগ্যতার নয়।
এই দুটি বাক্যের ভেতরেই পুরো ঝুঁকির কাঠামো লুকিয়ে আছে: ফাইলটি হাতে তুলে দিচ্ছে এমন একটি উৎস, যাকে কোনো স্টোর পর্যালোচনা করেনি, আর ফোন সেটিকে কেবল 'ইনস্টল করার মতো একটি প্যাকেজ' হিসেবেই দেখছে।
রিয়েল-মানি অ্যাপ প্লে স্টোরে কেন নেই
গুগল প্লে-র নিজস্ব নীতিতে রিয়েল-মানি জুয়া সংক্রান্ত অ্যাপ কেবল নির্দিষ্ট কিছু দেশে, নির্দিষ্ট শর্তে এবং প্রকাশকের আলাদা অনুমোদন সাপেক্ষে থাকতে পারে। বাংলাদেশ সেই তালিকায় নেই, এবং দেশের আইনেও জুয়া ও তার প্রচার নিষিদ্ধ। ফলে স্টোরে এই ধরনের অ্যাপ সরাসরি পাওয়ার কথা নয়।
এর একটি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে যা পাঠকের সরাসরি ক্ষতি করে: যেহেতু 'অফিশিয়াল অ্যাপ' নামে স্টোরে কিছু নেই, সেহেতু কোনটি আসল আর কোনটি কারও বানানো নকল — তা যাচাই করার সাধারণ কোনো ব্যবস্থাই থাকে না। প্রতারকরা ঠিক এই শূন্যস্থানেই কাজ করে।
স্টোরে যেসব অ্যাপ ওই ব্র্যান্ডের নাম বা লোগো ব্যবহার করে পাওয়া যায়, সেগুলোর বড় অংশ আসলে তৃতীয় পক্ষের বানানো — কখনও নিছক বিজ্ঞাপন-ভরা খোলস, কখনও আরও খারাপ কিছু। নাম মিলে যাওয়া কোনো প্রমাণ নয়।
সাইডলোড করলে ফোনে কী বদলায়
অ্যান্ড্রয়েডে অচেনা উৎস থেকে ইনস্টল করতে হলে ব্রাউজার বা ফাইল ম্যানেজারকে 'এই উৎস থেকে অ্যাপ ইনস্টল করার' অনুমতি দিতে হয়। অনেকে এটিকে নিছক একটি বাড়তি ক্লিক ভাবেন। বাস্তবে এটি ফোনের ডিফল্ট সুরক্ষার একটি স্তর সরিয়ে দেওয়া — এবং অনুমতিটি দেওয়ার পর তা চালুই থেকে যায়, যতক্ষণ না আপনি নিজে গিয়ে বন্ধ করেন।
| দিক | প্লে স্টোর থেকে ইনস্টল | APK সাইডলোড |
|---|---|---|
| ফাইলটি কে দিল | স্টোর, যাচাই করা প্রকাশক অ্যাকাউন্ট থেকে | একটি ওয়েবসাইট, লিংক বা চ্যাট বার্তা |
| স্বয়ংক্রিয় স্ক্যান | ইনস্টলের আগে ও পরে স্টোরের নিজস্ব পরীক্ষা চলে | কেবল ফোনের নিজস্ব সুরক্ষা, যা সব কিছু ধরে না |
| আপডেট | নিজে থেকে আসে, নিরাপত্তা প্যাচসহ | প্রতিবার হাতে করে নতুন ফাইল খুঁজে ইনস্টল করতে হয় |
| সরানোর পথ | স্টোর থেকেই আনইনস্টল ও রিপোর্ট | শুধু আনইনস্টল; কোথায় রিপোর্ট করবেন তার নির্দিষ্ট জায়গা নেই |
| সমস্যা হলে ফেরত | স্টোরের নিজস্ব নীতি | কোনো ফেরতের ব্যবস্থা নেই |
কাজ শেষ হলে অনুমতিটি আবার বন্ধ করে দেওয়া একটি ছোট অভ্যাস, যা পরে কোনো লিংকে ভুল করে চাপ দিলে এক ধাপ সুরক্ষা ফিরিয়ে দেয়।
নকল বিল্ড: যেখানে প্রতারণা সবচেয়ে বেশি
একটি নকল বিল্ড দেখতে হুবহু আসলের মতো হতে পারে — একই লোগো, একই রং, একই লগইন স্ক্রিন। পার্থক্য শুরু হয় লগইনের পর: আপনার লেখা ব্যবহারকারী নাম ও পাসওয়ার্ড অন্য কোথাও চলে যায়, কিংবা স্ক্রিনের উপরে একটি নকল স্তর বসে আপনার লেখা তথ্য পড়ে নেয়।
আরও একটি সাধারণ ধরন হলো 'র্যাপার' অ্যাপ — যা আসলে ওয়েবসাইটটিকেই ভেতরে খুলে দেখায়, কিন্তু সঙ্গে বাড়তি পারমিশন নিয়ে নেয় এবং ব্যবহারের তথ্য তৃতীয় পক্ষকে পাঠায়। এগুলো 'কাজ করে' বলেই ব্যবহারকারী কিছু বুঝতে পারেন না।
সবচেয়ে বিপজ্জনক অনুরোধটি চেনা সহজ: ইনস্টলের পর কোনো অ্যাপ যদি অ্যাক্সেসিবিলিটি সার্ভিস চালু করতে বলে বা 'ডিভাইস অ্যাডমিন' হতে চায়, সেখানেই থামুন। এই দুটি অনুমতি দিলে অ্যাপটি কার্যত আপনার পর্দা পড়তে ও আপনার হয়ে ট্যাপ করতে পারে।
ইনস্টলের আগে ধাপে ধাপে যাচাই
কোনো তালিকা নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেয় না। নিচের ধাপগুলো কেবল সবচেয়ে সাধারণ ফাঁদগুলো কমায়।
- লিংকটি কোথা থেকে এল দেখুন। চ্যাট, কমেন্ট, শর্ট লিংক বা বিজ্ঞাপনের লিংক হলে ধরে নিন উৎস অজানা।
- ঠিকানাটি অক্ষরে অক্ষরে পড়ুন। ব্র্যান্ডের নামের সঙ্গে বাড়তি শব্দ, হাইফেন বা অন্য ডোমেইন এক্সটেনশন যোগ করা প্রতারণার সবচেয়ে পুরনো কৌশল।
- ইনস্টলের স্ক্রিনে অ্যাপটি কোন কোন অনুমতি চাইছে তার তালিকা পড়ুন — তাড়াহুড়ো করে 'পরবর্তী' চাপবেন না।
- ফোনের সুরক্ষা সতর্কবার্তা এলে সেটিকে 'ঝামেলা' না ভেবে থেমে যান; বার্তাটি কী বলছে পড়ুন।
- ইনস্টলের পর অ্যাপটি যদি অ্যাক্সেসিবিলিটি, SMS পড়া বা কন্টাক্ট তালিকা চায়, তবে অনুমতি না দিয়ে আনইনস্টল করুন।
- ইনস্টলের অনুমতি (অচেনা উৎস) কাজ শেষে আবার বন্ধ করে দিন।
এই পাতাটি কোনো নির্দিষ্ট ফাইল বা ডোমেইনকে 'নিরাপদ' বলছে না, এবং কোনো ডাউনলোড লিংক দিচ্ছে না — কারণ আমরা কোনো ফাইল পরীক্ষা করিনি এবং যাচাই না করে কিছু বলা এই পাতার নীতির বিরুদ্ধে।
পারমিশন: কোনটি যুক্তিসঙ্গত, কোনটি নয়
| অনুমতি | কেন চাওয়া হতে পারে | কতটা যুক্তিসঙ্গত |
|---|---|---|
| ইন্টারনেট | অ্যাপ চালানোর জন্য অপরিহার্য | স্বাভাবিক |
| স্টোরেজ বা ফাইল | নথির ছবি আপলোড করার সময় | কেবল ব্যবহারের মুহূর্তে দিন, স্থায়ীভাবে নয় |
| ক্যামেরা | যাচাইয়ের ছবি তোলা | কেবল ব্যবহারের মুহূর্তে |
| নোটিফিকেশন | লেনদেন ও অ্যাকাউন্ট বার্তা | স্বাভাবিক, তবে প্রচারমূলক বার্তা আলাদা করে বন্ধ করা যায় |
| SMS পড়া | কোড 'নিজে থেকে' বসানোর অজুহাতে | ঝুঁকিপূর্ণ — এতে ব্যাংক ও ওয়ালেটের সব বার্তাও পড়া যায় |
| কন্টাক্ট তালিকা | কোনো বৈধ কারণ সাধারণত নেই | প্রত্যাখ্যান করুন |
| অ্যাক্সেসিবিলিটি সার্ভিস | কোনো বৈধ কারণ নেই | কখনও দেবেন না |
অ্যান্ড্রয়েডের সেটিংসে প্রতিটি অ্যাপের অনুমতি আলাদা করে দেখা ও বাতিল করা যায়। ইনস্টলের এক সপ্তাহ পর একবার ওই তালিকাটি দেখে নেওয়া ভালো অভ্যাস।
অটো-আপডেট না থাকার মানে
সাইডলোড করা অ্যাপ নিজে থেকে হালনাগাদ হয় না। ফলে নিরাপত্তার কোনো দুর্বলতা ঠিক হলে সেটি আপনার ফোনে পৌঁছায় না, যতক্ষণ না আপনি নতুন ফাইল খুঁজে আবার ইনস্টল করছেন। আর প্রতিবার নতুন ফাইল খোঁজা মানে প্রতিবার নতুন করে ভুল উৎসে পড়ার সুযোগ।
কিছু অ্যাপ নিজের ভেতর থেকেই আপডেট নামায়। এতে একটি ভিন্ন ঝুঁকি তৈরি হয়: আপডেটটি কোথা থেকে আসছে তা আপনি দেখতে পান না। অ্যাপ যদি বারবার 'আপডেট ব্যর্থ' দেখায়, তবে বারবার চেষ্টা না করে আনইনস্টল করে ব্রাউজারে সাইটটি খোলা তুলনামূলক নিরাপদ।
Android বনাম iOS: বাস্তব চিত্র
iPhone-এ APK বলে কিছু নেই এবং অ্যাপ স্টোরের বাইরে থেকে সাধারণ ব্যবহারকারীর অ্যাপ ইনস্টল করার পথও নেই। তাই বাংলাদেশে iOS ব্যবহারকারীরা যা পান তা প্রায় সবসময়ই একটি ওয়েব-অ্যাপ শর্টকাট — সাফারিতে সাইটটি খুলে হোম স্ক্রিনে যোগ করা একটি আইকন।
এতে আইকনটি দেখতে অ্যাপের মতো, কিন্তু ভেতরে চলে ব্রাউজারই। এর ভালো দিক হলো কোনো ফাইল ইনস্টল হচ্ছে না, তাই নকল বিল্ডের ঝুঁকিও নেই। খারাপ দিক হলো লগইন সেশন ব্রাউজারের নিয়মে মুছে যেতে পারে এবং নোটিফিকেশন সীমিত।
কেউ যদি iPhone-এর জন্য 'APK' বা আলাদা ইনস্টলার ফাইল দিতে চায়, সেটি প্রযুক্তিগতভাবেই অসম্ভব — অর্থাৎ প্রস্তাবটি মিথ্যা, এবং সেখানেই কথাবার্তা শেষ করা উচিত।
ডিভাইস, স্টোরেজ ও অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণ
সাধারণভাবে এই ধরনের অ্যাপ খুব ভারী নয়, কিন্তু ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে ক্যাশ জমে আকার কয়েক গুণ বেড়ে যায়। স্টোরেজ প্রায় ভরা ফোনে এর প্রথম লক্ষণ হলো ছবি লোড না হওয়া বা অ্যাপ হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়া। নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা এখানে লেখা হয়নি, কারণ তা বিল্ডভেদে আলাদা — অ্যাপের সেটিংসে নিজের ফোনেই আকারটি দেখা যায়।
পুরনো অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণে দুটি সমস্যা হয়: অ্যাপ ইনস্টলই হয় না, অথবা ইনস্টল হয়ে ভিডিও ও লাইভ অংশগুলো চলে না। যে ফোন আর নিরাপত্তা আপডেট পায় না, তাতে সাইডলোড করা অ্যাপ রাখা বাড়তি ঝুঁকি — সেখানে ব্রাউজারই বেশি যুক্তিসঙ্গত।
ডেটা, ব্যাটারি ও ট্র্যাকিং
সবচেয়ে বেশি মোবাইল ডেটা খরচ করে ভিডিও — লাইভ স্ট্রিম বা লাইভ টেবিল। সাধারণ তালিকা বা স্কোর পাতা তুলনায় নগণ্য। অ্যান্ড্রয়েডের সেটিংসে প্রতিটি অ্যাপের ডেটা ব্যবহার দেখা যায়; এক সপ্তাহ পর সেটি দেখে নিলে অনুমান নয়, বাস্তব সংখ্যাটাই পাওয়া যায়।
ব্যাটারির খরচ বাড়ে মূলত পর্দা সচল রাখা, ভিডিও ডিকোডিং এবং পটভূমিতে বারবার নেটওয়ার্ক ডাকার কারণে। নোটিফিকেশন চালু রাখলে অ্যাপ পটভূমিতে জেগে থাকে, ফলে ব্যাটারির পাশাপাশি মনোযোগও খরচ হয়।
সেই মনোযোগের দিকটিই কম আলোচিত। প্রচারমূলক পুশ বার্তাগুলো এমন সময়ে আসে যখন ব্যবহারকারী ফিরে আসার সম্ভাবনা বেশি। যদি নিজের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান, তবে প্রথম কাজটি সহজ: প্রচারমূলক নোটিফিকেশন পুরোপুরি বন্ধ করে দিন।
অ্যাপ কাজ করছে না — কী দেখবেন
| লক্ষণ | সাধারণত কী ঘটছে | পাঠক যা দেখতে পারেন |
|---|---|---|
| লগইন লুপ — বারবার লগইন পাতায় ফিরছে | সেশন সংরক্ষিত হচ্ছে না বা সময় ভুল | ফোনের তারিখ ও সময় স্বয়ংক্রিয় আছে কি না; অ্যাপের ক্যাশ পরিষ্কার; ব্রাউজারে একই অ্যাকাউন্টে ঢোকা যায় কি না |
| সাদা বা ফাঁকা স্ক্রিন | ভেতরের ওয়েব অংশ লোড হচ্ছে না | অন্য নেটওয়ার্কে (ওয়াই-ফাই বনাম মোবাইল ডেটা) একই সমস্যা হয় কি না |
| জমা 'প্রসেসিং'-এ আটকে আছে | দুই আলাদা ব্যবস্থার মধ্যে বার্তা মেলেনি | ওয়ালেট অ্যাপে লেনদেন সফল কি না, শনাক্তকারী নম্বরসহ সাপোর্টে বার্তা |
| ভিডিও চলছে না, কিন্তু বাকি সব ঠিক | সংযোগের গতি বা ডিভাইসের সীমা | কম রেজোলিউশন বেছে নেওয়া; ব্যাটারি সেভার বন্ধ করা |
| আপডেট ব্যর্থ হচ্ছে | স্বাক্ষর মিলছে না বা ফাইল অসম্পূর্ণ | বারবার চেষ্টা না করা; ব্রাউজারে সাইট ব্যবহার করা |
| অ্যাপ হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে | মেমোরি বা স্টোরেজের সীমা | স্টোরেজ খালি করা; পটভূমির অন্য অ্যাপ বন্ধ করা |
একটি নিয়ম সব ক্ষেত্রে খাটে: সমস্যা সমাধানের জন্য কেউ যদি PIN, OTP, পাসওয়ার্ড বা রিমোট কন্ট্রোল অ্যাপ চায়, সেটি সমাধান নয় — সেটিই প্রতারণা। প্রকৃত সাপোর্টের এসবের কিছুই দরকার হয় না।
আইন, বয়স এবং এই পাতার অবস্থান
বাংলাদেশে জুয়া ও জুয়ার প্রচার আইনত নিষিদ্ধ; Gambling Prevention Act 2026 ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর। এই পাতা কাউকে আইন ভাঙতে উৎসাহ দেয় না এবং কোনো অ্যাপ ইনস্টল করতে বলে না। উদ্দেশ্য তথ্য ও ক্ষতি কমানো — বিশেষত ফোনের নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত তথ্যের দিক থেকে।
এই সাইট একটি স্বাধীন বাংলা গাইড: এটি কোনো অপারেটর নয়, কোনো অ্যাপ তৈরি বা বিতরণ করে না, কারও জমা নেয় না এবং কোনো গেম চালায় না। বাইরের কোনো লিংক থাকলে তা পার্টনার লিংক হতে পারে; তাতে এখানে লেখা কথার কোনো পরিবর্তন হয় না।
সর্বশেষ আপডেট: ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
APK ইনস্টল করা কি নিরাপদ?
ফাইলটি কে দিচ্ছে তার উপর পুরোটা নির্ভর করে, এবং সাধারণ ব্যবহারকারীর পক্ষে সেটি যাচাই করার ভালো উপায় নেই। প্লে স্টোরের পর্যালোচনা ও স্বয়ংক্রিয় আপডেট এখানে থাকে না, তাই ঝুঁকি স্বভাবতই বেশি। ব্রাউজারে সাইট ব্যবহার করলে এই ঝুঁকিটি এড়ানো যায়।
এই পাতায় ডাউনলোড লিংক নেই কেন?
কারণ আমরা কোনো ফাইল পরীক্ষা করিনি, এবং কোন ঠিকানাটি আজ আসল তা কাল একই থাকবে কি না তারও নিশ্চয়তা নেই। যাচাই না করে লিংক দেওয়া মানে ঝুঁকিটি পাঠকের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া, যা এই সাইটের নীতির বিরুদ্ধে।
iPhone-এ অ্যাপ পাওয়া যায়?
সাধারণত নয়। iOS-এ যা পাওয়া যায় তা প্রায় সবসময় সাফারিতে সাইট খুলে হোম স্ক্রিনে যোগ করা একটি শর্টকাট। কেউ iPhone-এর জন্য APK বা আলাদা ইনস্টলার দিতে চাইলে সেটি প্রযুক্তিগতভাবেই অসম্ভব এবং প্রস্তাবটি মিথ্যা।
অ্যাপ কি ব্রাউজারের চেয়ে দ্রুত?
অনেক ক্ষেত্রে পার্থক্য সামান্য, কারণ বহু অ্যাপ ভেতরে ওয়েব পাতাই দেখায়। অ্যাপের বাড়তি সুবিধা মূলত নোটিফিকেশন ও দ্রুত প্রবেশ। পুরনো ফোনে বরং ব্রাউজার বেশি স্থিতিশীল আচরণ করে।
অ্যাক্সেসিবিলিটি পারমিশন চাইলে কী করব?
দেবেন না এবং অ্যাপটি আনইনস্টল করুন। এই অনুমতি দিলে অ্যাপ কার্যত আপনার পর্দায় যা আছে তা পড়তে এবং আপনার হয়ে ট্যাপ করতে পারে। কোনো বৈধ বেটিং বা পেমেন্ট অ্যাপের এটি প্রয়োজন হয় না।
অ্যাপ কত ডেটা খরচ করে?
নির্দিষ্ট সংখ্যা বলা সম্ভব নয়, কারণ তা নির্ভর করে আপনি ভিডিও দেখছেন কি না তার উপর। সবচেয়ে ভালো উপায় অনুমান নয় — অ্যান্ড্রয়েডের সেটিংসে ওই অ্যাপের ডেটা ব্যবহার এক সপ্তাহ পর দেখে নেওয়া।
নকল অ্যাপ ইনস্টল করে ফেলেছি, এখন কী?
প্রথমে ইন্টারনেট বন্ধ করে অ্যাপটি আনইনস্টল করুন, তারপর অন্য একটি নিরাপদ ডিভাইস থেকে সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্ট ও ই-মেইলের পাসওয়ার্ড বদলান। ওয়ালেটের PIN কোথাও লিখে থাকলে সেটিও বদলান এবং অ্যাকাউন্টের লেনদেন তালিকা মিলিয়ে দেখুন।
এই সাইট কি কোনো অ্যাপ প্রকাশ করে?
না। এটি একটি স্বাধীন বাংলা তথ্যগাইড — কোনো অ্যাপ তৈরি, বিতরণ বা হোস্ট করে না, কারও জমা নেয় না এবং কোনো গেম চালায় না। কনটেন্টটি ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য।
অপারেটর বেছে নেওয়ার আগে
বোনাসের শর্ত পড়ুন, বাজেট ঠিক করুন, আর মনে রাখুন: বাংলাদেশে জুয়া ও তার প্রচার আইনত নিষিদ্ধ।